설명
TodayToday 108th Happy birthday of Sree Sree Borda
"ইষ্ট গুরু পুরুষোত্তম, প্রতীক গুরু বংশধর, রেত শরীরে সুপ্ত থেকে জ্যান্ত তিনি নিরন্তর”। - শ্রীশ্রীঠাকুর অনুকূলচন্দ্র। অমৃত পথযাত্রী ইষ্ট প্রান দাদা ও মমতাময়ী মায়েরা সবাইকে আমার অন্তরের অন্তর স্থল থেকে “রা” পুষ্পিত জয়গুরু। আজ পরম পূ্জ্যপাদ শ্রীশ্রীবড়দা'র ১০৮ তম শুভ জন্ম দিবস। আমার-আমাদের ভূমিষ্ঠ প্রণাম তাঁর চরণে জানিয়ে কিছু কথা আপনাদের সাথে শেয়ার করছি, ভুল ত্রুটি হলে ক্ষমা করিবেন।
শ্রীশ্রীবড়দা, বাংলা ১৩১৮ সালের ৫ই অগ্রহায়ন,রোজ মঙ্গলবার, শুক্লা প্রতিপদ তিথিতে সন্ধ্যা ৬টা ৪৫মিনিটে পিতা শ্রীশ্রীঠাকুর অনুকূলচন্দ্র ও মাতা ষোড়শীবালার কোল আলো করে ধরাধামে আসেন পরমপূজ্যপাদ শ্রীশ্রীবড়দা। যার শুভ নাম অমরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী।পরমদয়াল আদর করে ডাকতেন বড় খোকা বলে।আশ্রমবাসী ভালোবেসে ডাকতেন শ্রীশ্রীবড়দা বলে। ভাই বোন সবার মধ্যে তিনি ছিলেন বড়।পাঁচ বছর বয়সেই উনার শিক্ষাজীবন শুরু হয় তপোবন বিদ্যালয়ে।হাতেখড়ি হয় পিতামহির কাছেই। ছোট বেলা থেকেই নানান অলৌকিক ঘঠনা বড়দার জীবনে লক্ষ্য করা গেছে। শ্রীশ্রীঠাকুরের বাণীতে আছে, পিতায় শ্রদ্ধা,মায়ে টান, সেই ছেলেই হয় সাম্যপ্রাণ। মাতৃভক্তি অটুট যতো, সেই ছেলেই হয় কৃতি ততো। পিতৃভক্তি এবং মাতৃভক্তির এক উজ্জল দৃষ্ঠান্ত হয়ে আছেন শ্রীশ্রীবড়দা। বড়দার সেন্হ ভালোবাসা এবং ব্যবহারে সকলের কাছেই হয়ে উঠে ছিলেন ভালোবাসার পাত্র। নিজে না খেয়ে খাইয়েছেন অন্যকে।নিজের পরণের কাপড় খুলে পরিয়েছেন সমবয়সী অনেক দরিদ্র মানুষকে। কেবল যে তিনি মানুষ কেই ভালোবেসে ছিলেন তা কিন্তু নয়,তিনি ভালোবেসেছেন গাছপালা, পশুপাখি কেও।এমনকি তাদের কথা পর্যন্ত বুজতে পারতেন তিনি।
মাতামনোমোহিনী দেবীর পছন্দে ১৩৩৬ সালে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন শ্রীশ্রীবড়দা আনন্দময়ীদেবীর সাথে। শ্রীশ্রীঠাকুর বড়দা কে খুবই ভালোবাসতেন। কথা প্রসঙ্গে তিনি বলেছিলেন,আমি য়া,বড় খোকাও তাই, সৎসঙ্গের দায়িত্বভার তিনি বড়দার হাতেই ন্যাস্থ করেছিলেন। ১৯৯৪সালের ৫ই আগষ্ট সকল ভক্তবৃন্দ্রকে শোক সাগরে ভাসিয়ে অমৃতধামে গমন করেন আচার্য্যদেব শ্রীশ্রীবড়দা।