হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অনুষ্ঠিত হল এয়ারপোর্ট ইমার্জেন্সি এক্সারসাইজ (ফায়ার)-২০২৬

Royal Bengal Aviation Video 25 days ago

Description

৫ অক্টোবর ২০২৬, ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অনুষ্ঠিত হয় ‘এয়ারপোর্ট ইমার্জেন্সি এক্সারসাইজ (ফায়ার)-২০২৬’।
বাস্তব বিমান দুর্ঘটনা ও অগ্নিকাণ্ডের মতো জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিমানবন্দরের প্রস্তুতি, অগ্নিনির্বাপণ, যাত্রী উদ্ধার, চিকিৎসাসেবা এবং বিভিন্ন সংস্থার সমন্বিত কার্যক্রম যাচাই করতেই এই মহড়ার আয়োজন করা হয়।
মহড়ার জন্য বাঁশ ও কাপড় দিয়ে একটি ডামি উড়োজাহাজ তৈরি করা হয়, যেটিকে ‘King Air’ নামে চিহ্নিত করা হয় এবং Boeing 737-এর আদলে সাজানো হয়।
মহড়ার কাল্পনিক পরিস্থিতিতে ব্যাংকক থেকে ঢাকাগামী ৯৮ জন যাত্রী ও ৫ জন ক্রুবাহী একটি উড়োজাহাজ অবতরণের আগে ডান পাশের ইঞ্জিনে আগুনের কথা এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলকে জানায়। জরুরি অবতরণের সময় উড়োজাহাজটি রানওয়ে থেকে ছিটকে গিয়ে ট্যাক্সিওয়ে সিয়েরা অতিক্রম করে রানওয়ের দক্ষিণ পাশে থেমে যায় এবং এরপর উড়োজাহাজে আগুন ছড়িয়ে পড়ার পরিস্থিতি তৈরি করা হয়।
পরিস্থিতি অনুযায়ী দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে অগ্নিনির্বাপণ শুরু করে ফায়ার সার্ভিস। একই সঙ্গে উদ্ধারকারী দল, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, অ্যাম্বুলেন্স ও চিকিৎসাকর্মীরা আহতদের উদ্ধার, প্রাথমিক চিকিৎসা এবং নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার কার্যক্রম পরিচালনা করেন।
মহড়ায় বেবিচক ও বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের পাশাপাশি বাংলাদেশ বিমানবাহিনী, এপিবিএন, উত্তরা ট্রাফিক বিভাগ, আনসার, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স, কুর্মিটোলা মাল্টিকেয়ার স্পেশালাইজড হাসপাতাল, মেডিকেল কলেজ ফর উইমেন, জাহানারা ক্লিনিক, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সসহ বিভিন্ন সংস্থা অংশ নেয়।
এ ধরনের মহড়ার মাধ্যমে জরুরি পরিস্থিতিতে কত দ্রুত ও কার্যকরভাবে বিভিন্ন সংস্থা একসঙ্গে কাজ করতে পারে, ফায়ারফাইটিং ও উদ্ধার সরঞ্জাম কতটা কার্যকর এবং বিমানবন্দরের সামগ্রিক জরুরি প্রস্তুতি কতটা সক্ষম—তা যাচাই করা হয়।
মহড়াটি আন্তর্জাতিক বেসামরিক বিমান চলাচল সংস্থা (ICAO)-এর নির্দেশনা অনুযায়ী আয়োজন করা হয়। মহড়া শেষে বিভিন্ন কার্যক্রম মূল্যায়ন করে ভবিষ্যতে জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলার সক্ষমতা আরও উন্নত করার বিষয়গুলো চিহ্নিত করা হয়।